Got Questions?
We’ve Got Answers, in sha Allah!
Planning your Hajj or Umrah journey and have questions? Find answers to almost everything from travel arrangements to religious guidelines.
উমরার রুকন কয়টি ও কি কি?
১টি। সেটি হলো কাবাঘর তাওয়াফ করা। আর উমরার শর্ত হলো ইহরাম বাঁধা। তবে কেউ কেউ বলেছেন উমরার রুকন তিনটি। যথা:
(১) ইহরাম বাঁধা।
(২) তাওয়াফ করা
(৩) সাঈ করা।
উল্লেখ্য যে, এ রুকনগুলোই উমরার ফরয।
উমরার ওয়াজিব কয়টি ও কি কি?
৩টি, সেগুলো হল:
(১) ইহরামের কাপড় পরে উমরার নিয়ত করার কাজটি মীকাত পার হওয়ার আগেই করা।
(২) ‘সাফা ও মারওয়া’ এ দু’টি পাহাড়ের মধ্যবর্তী স্থানে সাঈ করা। কিছু আলেম একে রুকন অর্থাৎ ফরয বলেছেন।
(৩) চুল কাটা (মাথার চুল মুণ্ডানো বা ছোট করা)।
উমরার মৌসুম কখন?
উমরা বৎসরের যেকোন মাস, যে কোন দিন ও যে কোন রাতে করা যায়। তবে ইমাম আবু হানীফার মতে আরাফাতের দিন, কুরবানীর দিন এবং আইয়ামে তাশরীকের তিন দিন উমরা করা মাকরূহ।
হজ্জের রুকন কয়টি ও কি কি?
৩টি, সেগুলো হল:
(১) ইহরাম বাঁধা (অর্থাৎ ইহরামের কাপড় পরে হজ্জের নিয়ত করা।)
(২) ৯ই যিলহজ্জে আরাফাতে অবস্থান করা।
(৩) তাওয়াফ : তাওয়াফে ইফাদা অর্থাৎ তাওয়াফে যিয়ারাহ করা।
উল্লেখ্য যে, হজ্জের রুকনগুলোই মূলতঃ হজ্জের ফরয। এর কোন একটি রুকন ছুটে গেলে হজ্জ বাতিল হয়ে যাবে।
হজ্জের ওয়াজিব কয়টি ও কি কি?
৯ টি, সেগুলো হল:
(১) সাঈ করা। (অনেকের মতে এটা হজ্জের রুকন।)
(২) ইহরাম বাঁধার কাজটি মীকাত পার হওয়ার পূর্বেই সম্পন্ন করা।
(৩) আরাফাতে অবস্থান সূর্যাস্ত পর্যন্ত দীর্ঘায়িত করা।
(৪) মুযদালিফায় রাত্রি যাপন।
(৫) মুযদালিফার পর কমপক্ষে দুই রাত্রি মিনায় যাপন করা।
(৬) কঙ্কর নিক্ষেপ করা।
(৭) হাদী (পশু) জবাই করা (তামাত্তু ও কেরান হাজীদের জন্য।)
(৮) চুল কাটা।
(৯) বিদায়ী তাওয়াফ।
দম কী কারণে দিতে হয়?
যে কোন কারণেই কোন একটি ওয়াজিব ছুটে গেলে দম (অর্থাৎ পশু জবাই) দেয়া ওয়াজিব হয়ে যায়।
হজ্জের সুন্নত কয়টি ও কী কী?
হজ্জের সুন্নত অনেক। এর মধ্যে উলেখযোগ্য হল:
(১) ইহরামের পূর্বে গোসল করা
(২) পুরুষদের সাদা রঙের ইহরামের কাপড় পরিধান করা।
(৩) তালবিয়াহ পাঠ করা
(৪) ৮ই যিলহজ্জ দিবাগত রাত মিনায় অবস্থান করা
(৫) ছোট ও মধ্যম জামারায় কংকর নিক্ষেপের পর দু‘আ করা
(৬) কেরান ও ইফরাদ হাজীদের তাওয়াফে কুদূম করা।
তবে কোন কারণে সুন্নত ছুটে গেলে দম দিতে হয় না।
হজ্জ কত প্রকার ও কি কি?
তিন প্রকার, যথা :
(১) তামাত্তু,
(২) কেরান,
(৩) ইফরাদ।
প্রথমত: ‘তামাত্তু’ হল হজ্জের সময় প্রথমে উমরা করে হালাল হয়ে ইহরামের কাপড় বদলিয়ে স্বাভাবিক জীবন যাপন করা। এর কিছু দিন পর আবার মক্কা থেকেই ইহরাম বেধে হজ্জের আহকাম পালন করা।
দ্বিতীয়ত: ‘কিরান’ হল উমরা ও হজ্জের মাঝখানে হালাল না হওয়া এবং ইহরামের কাপড় না খোলা। একই ইহরামে আবার হজ্জ সম্পাদন করা।
তৃতীয়ত: ‘ইফরাদ’ হল উমরা করা ছাড়াই শুধুমাত্র হজ্জ করা।
হজ্জ ফরয হওয়ার দলীল কি?
প্রথমতঃ আল্লাহ তা‘আলার নির্দেশ। তিনি বলেনঃ
অর্থ: মানুষের মধ্যে যার সামর্থ আছে আল্লাহর জন্য ঐ ঘরে হজ্জ করা তার উপর অবশ্য কর্তব্য।
দ্বিতীয়তঃ নবীজি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের হাদীস। তিনি বলেন:
(ক) ইসলামের ভিত্তি হয়েছে ৫টি স্তম্ভের উপর :
(১) আল্লাহ ছাড়া কোন মা‘বুদ নেই এবং মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের আল্লাহর রাসূল এ সাক্ষ্য দেয়া,
(২) সালাত আদায় করা,
(৩) যাকাত দেয়া,
(৪) রমজান মাসে সিয়াম পালন করা এবং
(৫) বায়তুল্লাহ শরীফে হজ্জ পালন করা। (বুখারী)
(খ) হে মানুষেরা! আল্লাহ্ তোমাদের উপর হজ্জ ফরয করেছেন। কাজেই তোমরা হজ্জ পালন কর। (মুসলিম)
কোন কোন শর্ত পূরণ হলে একজন লোকের উপর হজ্জ ফরয হয়?
নিম্ন বর্ণিত শর্তগুলোর সবকটি পূরণ হলে হজ্জ ফরয হয়:
(১) মুসলমান হওয়া। অমুসলিম অবস্থায় কোন ইবাদাত আল্লাহর কাছে গ্রহণযোগ্য হয় না।
(২) বালেগ হওয়া।
(৩) আকল-বুদ্ধি থাকা। অর্থাৎ অজ্ঞান ও পাগলের কোন ইবাদাত হয় না।
(৪) আর্থিক ও শারীরিক সক্ষমতা থাকা। আর্থিক সক্ষমতার অর্থ হলো হজ্জের খরচ বহন করার পর তার পরিবারের ভরণপোষণ চালিয়ে যাওয়ার মত সম্পদ ও সক্ষমতা থাকতে হবে। শারীরিক সুস্থতার সাথে তার যানবাহনের সুবিধা, পথের নিরাপত্তা থাকা এবং মহিলা হলে তার সাথে মাহরাম পুরুষ থাকা এসবও সক্ষমতার মধ্যে অন্তর্ভুক্ত। এর কোন একটির ব্যাঘাত ঘটলে হজ্জ ফরয হবে না।
যার উপর হজ্জ ফরয হয় তিনি কতদিন পর্যন্ত দেরী করতে পারবেন?
সাথে সাথেই হজ্জ আদায় করতে হবে। দেরী করা উচিত নয়। কারণ, যে কোন সময় বিপদাপদ এমন কি মৃত্যু এসে যেতে পারে। অধিকাংশ ওলামাদের মত এটাই।
মীকাত কি?
কাবা শরীফ গমনকারীদেরকে কাবা হতে একটি নির্দিষ্ট পরিমাণ দূরত্বে থেকে ইহরাম বাঁধতে হয়, যে স্থানগুলো নবীজির হাদীস দ্বারা নির্ধারিত আছে। ঐ জায়গাগুলোকে মীকাত বলা হয়। হারাম শরীফের চর্তুদিকেই মীকাত রয়েছে।
মীকাত কত প্রকার ও কি কি?
২ প্রকার:
(ক) সময়ের মীকাত,
(খ) স্থানের মীকাত।
হজ্জের জন্য সময়ের মীকাত হল শাওয়াল, যিলকদ এবং যিলহজ্জ মাস। অনেকের মতে শাওয়াল মাস থেকে যিলহজ্জের প্রথম ১০ দিন পর্যন্ত। এ সময়গুলোকে হজ্জের মাস বলা হয়। অপরদিকে উমরার সময় হল বছরের যে কোন মাস, দিন ও রাত।
বাংলাদেশ থেকে যারা উমরা বা হজ্জে যাবেন তারা কোন স্থান থেকে ইহরাম বাঁধবেন?
ইয়ালামলাম’ নামক স্থান থেকে। আকাশ পথে বিমান যখন উক্ত মীকাতে পৌছে তখন ক্যাপ্টেনের পক্ষ থেকে ঘোষণা দেয়া হয়, তখনই ইহরাম বাধবে অর্থাৎ নিয়ত করবে। ঢাকা থেকেও ইহরামের কাপড় পরে যাওয়া যায়। তবে নিয়ত করবেন ‘মীকাতে’ পৌঁছে বা এর পূর্বক্ষণে। মনে রাখতে হবে যে, ইহরাম বাঁধা ছাড়া মীকাত অতিক্রম করা যাবে না। ইহরাম বাঁধার অর্থ হল ইহরামের কাপড় পরে উমরা বা হজ্জের নিয়ত করা।
চতুর্থ মীকাত “ইয়ালামলাম” যেখানে বাংলাদেশ থেকে গমনকারী লোকেরা ইহরাম বাঁধে- এটির অবস্থান কোথায় এবং কেমন?
ইয়ালামলাম’ শব্দটি একটি উপত্যাকার নাম বলে জানা যায়। এ জায়গাটি মক্কা শরীফ থেকে ১২০ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত। এলাকাটি السعدية ‘সাদীয়া’ নামেও পরিচিত। যেসব দেশের লোকেরা এখান থেকে ইহরাম বাঁধে সেগুলো হল: (ক) ইয়ামেন, (খ) বাংলাদেশ, (গ) ভারতবর্ষ, (ঘ) চীন, (ঙ) ইন্দোনেশিয়া, (চ) মালয়েশিয়া, (ছ) দক্ষিণ এশিয়াসহ পূর্বের দেশসমূহ।
ইহরামের কাপড় পরিধান ছাড়া জেনে বা অজ্ঞতাবশতঃ, সজ্ঞানে, ভুলে বা ঘুমন্ত অবস্থায় মীকাতের সীমানায় ঢুকে পড়লে কি করতে হবে?
তাকে অবশ্যই আবার মীকাতে ফিরে গিয়ে ইহরাম বাঁধতে হবে, নতুবা একটি দম দিতে হবে অর্থাৎ একটি ছাগল, বকরী বা দুম্বা জবাই করে মক্কায় গরীবদের মধ্যে এর গোশত বিলি করে দিতে হবে। নিজে খেতে পারবে না।
মীকাত পার হওয়ার আগে কী কী কাজ করতে হয়?
(১ ) নখ ও চুল কেটে পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন হওয়া মুস্তাহাব।
(২) মুস্তাহাব হলো গোসল করে নেয়া।
(৩) সুগন্ধি মাখাও মুস্তাহাব। তবে মেয়েরা সুগন্ধি মাখবে না।
(৪) ইহরাম বাঁধা। অর্থাৎ ইহরামের কাপড় পরে উমরা বা হজ্জের নিয়ত করা। এটি ওয়াজিব।
(৫) মেয়েদের হায়েয অবস্থায়ও মীকাত পার হওয়ার আগে গোসল করে ইহরাম পরা সুন্নাত। অতঃপর হজ্জ বা উমরার নিয়ত করা।
(৬) মুস্তাহাব হলো ফরয সালাতের পর ইহরাম বাঁধা।
(৭) দু’রাকআত সালাত (তাহিয়্যাতুল অজু) শেষ হলে নিয়ত করবেন।
(৮) অতঃপর তালবিয়াহ পাঠ শুরু করবে। এটি নীচে দেয়া হল:
لَبَّيْكَ اللَّهُمَّ لَبَّيْكَ ، لَبَّيْكَ لَا شَرِيكَ لَكَ لَبَّيْكَ ، إِنَّ الْحَمْدَ والنِّعْمَةَ لَكَ وَالْمُلْكُ ، لَا شَرِيكَ لَكَ
অর্থ: হাজির হয়েছি হে আল্লাহ! তোমার ডাকে সাড়া দিয়ে আমি হাজির হয়েছি। আমি হাজির হয়ে সাক্ষ্য দিচ্ছি তোমার কোন শরীক নাই, আমি হাজির। নিশ্চয়ই সমস্ত প্রশংসা ও নেয়ামত তোমারই এবং রাজত্বও। তোমার কোন শরীক নাই।
ইহরামের কাপড় পরিধানের পূর্বে পরিচ্ছন্নতার জন্য কি কি কাজ করা মুস্তাহাব?
নখ কাটা, গোফ খাট করা, বোগল ও নাভির নীচের চুল কামানো ও তা পরিষ্কার করা। তবে ইহরামের পূর্বে পুরুষ ও মহিলাদের মাথার চুল কাটার বিষয়ে কোন বিধান পাওয়া যায় না। উলেখ্য যে, দাড়ি কোন অবস্থায়ই কাটা যাবে না। নখ-চুল কাটার পর গোসল করাও মুস্তাহাব।
গোঁফ ছোট করা, নখ কাটা, বগল পরিষ্কার করা এবং নাভির নীচের লোম পরিষ্কার করার কাজগুলোকে ৪০ রাতের বেশি সময় অতিক্রম না করার জন্য আমাদেরকে সময় নির্দিষ্ট করে দেয়া হয়েছে। (মুসলিম ২৫৮)
পুরুষের ইহরামের কাপড় কেমন হতে হবে?
চাদরের মত দু’টুকরা কাপড় একটি নীচে পরবে। দ্বিতীয়টি গায়ে দিবে। কাপড়গুলো সেলাইবিহীন হতে হবে। পরিচ্ছন্ন ও সাদা রং হওয়া মুস্তাহাব। ৩য় আর কোন প্রকার কাপড় গায়ে রাখা যাবে না। যেমন টুপি, গেঞ্জি, জাইঙ্গা বা তাবীজ কিছুই না। তবে শীত নিবারণের জন্য চাদর ও কম্বল ব্যবহার করতে পারবে।
মেয়েদের ইহরামের কাপড় কী ধরনের হওয়া চাই?
মেয়েদের ইহরামের জন্য বিশেষ কোন পোষাক নেই। মেয়েরা সাধারণত: যে কাপড় পরে থাকে সেটাই তাদের ইহরাম। তারা নিজ ইচ্ছা মোতাবেক ঢিলেঢালা ও শালীন পোষাক পরবে। তবে যেন পুরুষের পোষাকের মত না হয়। এটা কাল, সবুজ বা অন্য যে কোন রঙের হতে পারে।
ইহরামের ওয়াজিব কয়টি ও কী কী?
৩টি যথা:
(১) মীকাত থেকে ইহরাম বাঁধা।
(২) সেলাইবিহীন কাপড় পরিধান করা।
(৩) তালবিয়াহ পাঠ করা। অর্থাৎ নিয়ত করার পর তালবিয়াহ পাঠ করা ওয়াজিব।
ইহরাম অবস্থায় মেয়েরা কি মুখ ঢেকে রাখতে (নিকাব পরতে) ও হাত মোজা পরতে পারবে?
না। নিকাব ও হাতমোজা এ অবস্থায় পরবে না। তবে ভিন্ন পুরুষ সামনে এলে মুখ আড়াল করে রাখবে। অর্থাৎ নিকাব ছাড়া ওড়না বা অন্য কোন কাপড় দ্বারা মুখমণ্ডল ঢাকার অনুমতি আছে।
১টি। সেটি হলো কাবাঘর তাওয়াফ করা। আর উমরার শর্ত হলো ইহরাম বাঁধা। তবে কেউ কেউ বলেছেন উমরার রুকন তিনটি। যথা:
(১) ইহরাম বাঁধা।
(২) তাওয়াফ করা
(৩) সাঈ করা।
উল্লেখ্য যে, এ রুকনগুলোই উমরার ফরয।
৩টি, সেগুলো হল:
(১) ইহরামের কাপড় পরে উমরার নিয়ত করার কাজটি মীকাত পার হওয়ার আগেই করা।
(২) ‘সাফা ও মারওয়া’ এ দু’টি পাহাড়ের মধ্যবর্তী স্থানে সাঈ করা। কিছু আলেম একে রুকন অর্থাৎ ফরয বলেছেন।
(৩) চুল কাটা (মাথার চুল মুণ্ডানো বা ছোট করা)।
উমরা বৎসরের যেকোন মাস, যে কোন দিন ও যে কোন রাতে করা যায়। তবে ইমাম আবু হানীফার মতে আরাফাতের দিন, কুরবানীর দিন এবং আইয়ামে তাশরীকের তিন দিন উমরা করা মাকরূহ।
৩টি, সেগুলো হল:
(১) ইহরাম বাঁধা (অর্থাৎ ইহরামের কাপড় পরে হজ্জের নিয়ত করা।)
(২) ৯ই যিলহজ্জে আরাফাতে অবস্থান করা।
(৩) তাওয়াফ : তাওয়াফে ইফাদা অর্থাৎ তাওয়াফে যিয়ারাহ করা।
উল্লেখ্য যে, হজ্জের রুকনগুলোই মূলতঃ হজ্জের ফরয। এর কোন একটি রুকন ছুটে গেলে হজ্জ বাতিল হয়ে যাবে।
৯ টি, সেগুলো হল:
(১) সাঈ করা। (অনেকের মতে এটা হজ্জের রুকন।)
(২) ইহরাম বাঁধার কাজটি মীকাত পার হওয়ার পূর্বেই সম্পন্ন করা।
(৩) আরাফাতে অবস্থান সূর্যাস্ত পর্যন্ত দীর্ঘায়িত করা।
(৪) মুযদালিফায় রাত্রি যাপন।
(৫) মুযদালিফার পর কমপক্ষে দুই রাত্রি মিনায় যাপন করা।
(৬) কঙ্কর নিক্ষেপ করা।
(৭) হাদী (পশু) জবাই করা (তামাত্তু ও কেরান হাজীদের জন্য।)
(৮) চুল কাটা।
(৯) বিদায়ী তাওয়াফ।
যে কোন কারণেই কোন একটি ওয়াজিব ছুটে গেলে দম (অর্থাৎ পশু জবাই) দেয়া ওয়াজিব হয়ে যায়।
হজ্জের সুন্নত অনেক। এর মধ্যে উলেখযোগ্য হল:
(১) ইহরামের পূর্বে গোসল করা
(২) পুরুষদের সাদা রঙের ইহরামের কাপড় পরিধান করা।
(৩) তালবিয়াহ পাঠ করা
(৪) ৮ই যিলহজ্জ দিবাগত রাত মিনায় অবস্থান করা
(৫) ছোট ও মধ্যম জামারায় কংকর নিক্ষেপের পর দু‘আ করা
(৬) কেরান ও ইফরাদ হাজীদের তাওয়াফে কুদূম করা।
তবে কোন কারণে সুন্নত ছুটে গেলে দম দিতে হয় না।
তিন প্রকার, যথা :
(১) তামাত্তু,
(২) কেরান,
(৩) ইফরাদ।
প্রথমত: ‘তামাত্তু’ হল হজ্জের সময় প্রথমে উমরা করে হালাল হয়ে ইহরামের কাপড় বদলিয়ে স্বাভাবিক জীবন যাপন করা। এর কিছু দিন পর আবার মক্কা থেকেই ইহরাম বেধে হজ্জের আহকাম পালন করা।
দ্বিতীয়ত: ‘কিরান’ হল উমরা ও হজ্জের মাঝখানে হালাল না হওয়া এবং ইহরামের কাপড় না খোলা। একই ইহরামে আবার হজ্জ সম্পাদন করা।
তৃতীয়ত: ‘ইফরাদ’ হল উমরা করা ছাড়াই শুধুমাত্র হজ্জ করা।
প্রথমতঃ আল্লাহ তা‘আলার নির্দেশ। তিনি বলেনঃ
অর্থ: মানুষের মধ্যে যার সামর্থ আছে আল্লাহর জন্য ঐ ঘরে হজ্জ করা তার উপর অবশ্য কর্তব্য।
দ্বিতীয়তঃ নবীজি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের হাদীস। তিনি বলেন:
(ক) ইসলামের ভিত্তি হয়েছে ৫টি স্তম্ভের উপর :
(১) আল্লাহ ছাড়া কোন মা‘বুদ নেই এবং মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের আল্লাহর রাসূল এ সাক্ষ্য দেয়া,
(২) সালাত আদায় করা,
(৩) যাকাত দেয়া,
(৪) রমজান মাসে সিয়াম পালন করা এবং
(৫) বায়তুল্লাহ শরীফে হজ্জ পালন করা। (বুখারী)
(খ) হে মানুষেরা! আল্লাহ্ তোমাদের উপর হজ্জ ফরয করেছেন। কাজেই তোমরা হজ্জ পালন কর। (মুসলিম)
নিম্ন বর্ণিত শর্তগুলোর সবকটি পূরণ হলে হজ্জ ফরয হয়:
(১) মুসলমান হওয়া। অমুসলিম অবস্থায় কোন ইবাদাত আল্লাহর কাছে গ্রহণযোগ্য হয় না।
(২) বালেগ হওয়া।
(৩) আকল-বুদ্ধি থাকা। অর্থাৎ অজ্ঞান ও পাগলের কোন ইবাদাত হয় না।
(৪) আর্থিক ও শারীরিক সক্ষমতা থাকা। আর্থিক সক্ষমতার অর্থ হলো হজ্জের খরচ বহন করার পর তার পরিবারের ভরণপোষণ চালিয়ে যাওয়ার মত সম্পদ ও সক্ষমতা থাকতে হবে। শারীরিক সুস্থতার সাথে তার যানবাহনের সুবিধা, পথের নিরাপত্তা থাকা এবং মহিলা হলে তার সাথে মাহরাম পুরুষ থাকা এসবও সক্ষমতার মধ্যে অন্তর্ভুক্ত। এর কোন একটির ব্যাঘাত ঘটলে হজ্জ ফরয হবে না।
সাথে সাথেই হজ্জ আদায় করতে হবে। দেরী করা উচিত নয়। কারণ, যে কোন সময় বিপদাপদ এমন কি মৃত্যু এসে যেতে পারে। অধিকাংশ ওলামাদের মত এটাই।
কাবা শরীফ গমনকারীদেরকে কাবা হতে একটি নির্দিষ্ট পরিমাণ দূরত্বে থেকে ইহরাম বাঁধতে হয়, যে স্থানগুলো নবীজির হাদীস দ্বারা নির্ধারিত আছে। ঐ জায়গাগুলোকে মীকাত বলা হয়। হারাম শরীফের চর্তুদিকেই মীকাত রয়েছে।
২ প্রকার:
(ক) সময়ের মীকাত,
(খ) স্থানের মীকাত।
হজ্জের জন্য সময়ের মীকাত হল শাওয়াল, যিলকদ এবং যিলহজ্জ মাস। অনেকের মতে শাওয়াল মাস থেকে যিলহজ্জের প্রথম ১০ দিন পর্যন্ত। এ সময়গুলোকে হজ্জের মাস বলা হয়। অপরদিকে উমরার সময় হল বছরের যে কোন মাস, দিন ও রাত।
ইয়ালামলাম’ নামক স্থান থেকে। আকাশ পথে বিমান যখন উক্ত মীকাতে পৌছে তখন ক্যাপ্টেনের পক্ষ থেকে ঘোষণা দেয়া হয়, তখনই ইহরাম বাধবে অর্থাৎ নিয়ত করবে। ঢাকা থেকেও ইহরামের কাপড় পরে যাওয়া যায়। তবে নিয়ত করবেন ‘মীকাতে’ পৌঁছে বা এর পূর্বক্ষণে। মনে রাখতে হবে যে, ইহরাম বাঁধা ছাড়া মীকাত অতিক্রম করা যাবে না। ইহরাম বাঁধার অর্থ হল ইহরামের কাপড় পরে উমরা বা হজ্জের নিয়ত করা।
ইয়ালামলাম’ শব্দটি একটি উপত্যাকার নাম বলে জানা যায়। এ জায়গাটি মক্কা শরীফ থেকে ১২০ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত। এলাকাটি السعدية ‘সাদীয়া’ নামেও পরিচিত। যেসব দেশের লোকেরা এখান থেকে ইহরাম বাঁধে সেগুলো হল: (ক) ইয়ামেন, (খ) বাংলাদেশ, (গ) ভারতবর্ষ, (ঘ) চীন, (ঙ) ইন্দোনেশিয়া, (চ) মালয়েশিয়া, (ছ) দক্ষিণ এশিয়াসহ পূর্বের দেশসমূহ।
তাকে অবশ্যই আবার মীকাতে ফিরে গিয়ে ইহরাম বাঁধতে হবে, নতুবা একটি দম দিতে হবে অর্থাৎ একটি ছাগল, বকরী বা দুম্বা জবাই করে মক্কায় গরীবদের মধ্যে এর গোশত বিলি করে দিতে হবে। নিজে খেতে পারবে না।
(১ ) নখ ও চুল কেটে পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন হওয়া মুস্তাহাব।
(২) মুস্তাহাব হলো গোসল করে নেয়া।
(৩) সুগন্ধি মাখাও মুস্তাহাব। তবে মেয়েরা সুগন্ধি মাখবে না।
(৪) ইহরাম বাঁধা। অর্থাৎ ইহরামের কাপড় পরে উমরা বা হজ্জের নিয়ত করা। এটি ওয়াজিব।
(৫) মেয়েদের হায়েয অবস্থায়ও মীকাত পার হওয়ার আগে গোসল করে ইহরাম পরা সুন্নাত। অতঃপর হজ্জ বা উমরার নিয়ত করা।
(৬) মুস্তাহাব হলো ফরয সালাতের পর ইহরাম বাঁধা।
(৭) দু’রাকআত সালাত (তাহিয়্যাতুল অজু) শেষ হলে নিয়ত করবেন।
(৮) অতঃপর তালবিয়াহ পাঠ শুরু করবে। এটি নীচে দেয়া হল:
لَبَّيْكَ اللَّهُمَّ لَبَّيْكَ ، لَبَّيْكَ لَا شَرِيكَ لَكَ لَبَّيْكَ ، إِنَّ الْحَمْدَ والنِّعْمَةَ لَكَ وَالْمُلْكُ ، لَا شَرِيكَ لَكَ
অর্থ: হাজির হয়েছি হে আল্লাহ! তোমার ডাকে সাড়া দিয়ে আমি হাজির হয়েছি। আমি হাজির হয়ে সাক্ষ্য দিচ্ছি তোমার কোন শরীক নাই, আমি হাজির। নিশ্চয়ই সমস্ত প্রশংসা ও নেয়ামত তোমারই এবং রাজত্বও। তোমার কোন শরীক নাই।
নখ কাটা, গোফ খাট করা, বোগল ও নাভির নীচের চুল কামানো ও তা পরিষ্কার করা। তবে ইহরামের পূর্বে পুরুষ ও মহিলাদের মাথার চুল কাটার বিষয়ে কোন বিধান পাওয়া যায় না। উলেখ্য যে, দাড়ি কোন অবস্থায়ই কাটা যাবে না। নখ-চুল কাটার পর গোসল করাও মুস্তাহাব।
গোঁফ ছোট করা, নখ কাটা, বগল পরিষ্কার করা এবং নাভির নীচের লোম পরিষ্কার করার কাজগুলোকে ৪০ রাতের বেশি সময় অতিক্রম না করার জন্য আমাদেরকে সময় নির্দিষ্ট করে দেয়া হয়েছে। (মুসলিম ২৫৮)
চাদরের মত দু’টুকরা কাপড় একটি নীচে পরবে। দ্বিতীয়টি গায়ে দিবে। কাপড়গুলো সেলাইবিহীন হতে হবে। পরিচ্ছন্ন ও সাদা রং হওয়া মুস্তাহাব। ৩য় আর কোন প্রকার কাপড় গায়ে রাখা যাবে না। যেমন টুপি, গেঞ্জি, জাইঙ্গা বা তাবীজ কিছুই না। তবে শীত নিবারণের জন্য চাদর ও কম্বল ব্যবহার করতে পারবে।
মেয়েদের ইহরামের জন্য বিশেষ কোন পোষাক নেই। মেয়েরা সাধারণত: যে কাপড় পরে থাকে সেটাই তাদের ইহরাম। তারা নিজ ইচ্ছা মোতাবেক ঢিলেঢালা ও শালীন পোষাক পরবে। তবে যেন পুরুষের পোষাকের মত না হয়। এটা কাল, সবুজ বা অন্য যে কোন রঙের হতে পারে।
৩টি যথা:
(১) মীকাত থেকে ইহরাম বাঁধা।
(২) সেলাইবিহীন কাপড় পরিধান করা।
(৩) তালবিয়াহ পাঠ করা। অর্থাৎ নিয়ত করার পর তালবিয়াহ পাঠ করা ওয়াজিব।
না। নিকাব ও হাতমোজা এ অবস্থায় পরবে না। তবে ভিন্ন পুরুষ সামনে এলে মুখ আড়াল করে রাখবে। অর্থাৎ নিকাব ছাড়া ওড়না বা অন্য কোন কাপড় দ্বারা মুখমণ্ডল ঢাকার অনুমতি আছে।
উমরাহ সংক্রান্ত জিজ্ঞাসা
১. আপনাদের পরবর্তী উমরাহ প্যাকেজ কবে এবং মূল্য কত?
আমাদের পরবর্তী উমরাহ প্যাকেজের বিস্তারিত সময়সূচী ও মূল্য জানতে আমাদের [প্যাকেজ পেজ] ভিজিট করুন। অথবা সরাসরি আপডেট পেতে আমাদের WhatsApp-এ নক দিন, আমাদের প্রতিনিধি আপনার সাথে বিস্তারিত কথা বলবেন।
২. আপনাদের উমরাহ প্যাকেজ সাধারণত কত দিনের হয়?
আমাদের গ্রুপ উমরাহ প্যাকেজ সাধারণত ১৩–১৪ দিনের হয়ে থাকে। তবে আপনি চাইলে আপনার প্রয়োজন অনুযায়ী কাস্টমাইজড প্যাকেজে দিনের সংখ্যা পরিবর্তন করা সম্ভব।
৩. উমরাহ প্যাকেজে কী কী অন্তর্ভুক্ত থাকে? ভিসা, টিকিট, হোটেল কি প্যাকেজে আছে?
জি, আমাদের প্যাকেজগুলো পূর্ণাঙ্গ। এতে অন্তর্ভুক্ত থাকে— উমরাহ ভিসা, রিটার্ন এয়ার টিকিট, মক্কা ও মদিনার হোটেল, যাতায়াতের জন্য ট্রান্সপোর্ট এবং অভিজ্ঞ গ্রুপ সাপোর্ট।
৪. উমরাহ প্যাকেজের হোটেলগুলো হারাম শরীফ থেকে কত দূরে?
প্যাকেজ অনুযায়ী হোটেলের মান ও দূরত্ব ভিন্ন হয়। আমরা সবসময় চেষ্টা করি হাজীদের সামর্থ্যের মধ্যে সবচেয়ে কাছে এবং মানসম্মত হোটেল প্রদান করতে। বুকিংয়ের সময় আপনাকে নির্দিষ্ট হোটেলের নাম ও দূরত্বের তালিকা দেওয়া হবে।
৫. ফ্লাইটের জন্য কোন এয়ারলাইন্স ব্যবহার করা হয়?
আমরা সরাসরি ফ্লাইটের জন্য Saudi Airlines ও Biman Bangladesh এবং ট্রানজিট ফ্লাইটের জন্য Emirates, Qatar Airways, Kuwait Airways ইত্যাদি ব্যবহার করি। আপনার পছন্দ অনুযায়ী ফ্লাইটের ব্যবস্থা করা যায়।
৬. উমরাহ বুকিংয়ের জন্য কী কী ডকুমেন্ট লাগে?
উমরাহ বুকিংয়ের জন্য আপনার পাসপোর্টের কপি এবং প্যাকেজ মূল্যের ৫০% অগ্রিম পরিশোধ করতে হয়।
৭. উমরাহ ভিসা হতে কতদিন সময় লাগে?
ভিসা আবেদন করার পর সাধারণত ৭২ ঘণ্টার মধ্যে ভিসা ইস্যু হয়ে থাকে। তবে আবেদনের আগে সৌদি সরকারের নিয়ম অনুযায়ী বায়োমেট্রিক রেজিস্ট্রেশন করা বাধ্যতামূলক।
৮. উমরাহতে কি বয়সের কোনো বিধিনিষেধ আছে?
না, বর্তমানে সৌদি সরকারের পক্ষ থেকে উমরাহ ভিসার ক্ষেত্রে বয়সের কোনো নির্দিষ্ট সীমাবদ্ধতা বা বাধ্যবাধকতা নেই।
৯. কাস্টমাইজড উমরাহ প্যাকেজ কি করা সম্ভব?
জি, আপনার সময়, বাজেট এবং পরিবারের সদস্য সংখ্যা অনুযায়ী আমরা আপনার জন্য আলাদাভাবে কাস্টমাইজড উমরাহ প্যাকেজ তৈরি করে দিতে পারি।
হজ সংক্রান্ত জিজ্ঞাসা
১০. হজের বুকিং বা প্রি-রেজিস্ট্রেশনের জন্য কী কী ডকুমেন্ট লাগবে?
হজ প্রি-রেজিস্ট্রেশনের জন্য প্রয়োজন— পাসপোর্টের কপি, জাতীয় পরিচয়পত্র (NID) কপি, পাসপোর্ট সাইজ ছবি এবং সরকারি নির্ধারিত ৩০,০০০ টাকা প্রি-রেজিস্ট্রেশন ফি।
১১. হজে কি বয়সের কোনো বিধিনিষেধ আছে?
হজের ক্ষেত্রে সৌদি সরকার ও বাংলাদেশ সরকার প্রতি বছর নির্দিষ্ট নীতিমালা প্রদান করে। বর্তমান নিয়ম অনুযায়ী বয়স বা অন্যান্য শর্ত সম্পর্কে আমরা আপনাকে সরাসরি আপডেট জানিয়ে দেব।
১২. হজ প্যাকেজে মক্কা ও মদিনায় কতদিন থাকা হয়?
হজ প্যাকেজ অনুযায়ী অবস্থানের সময় ভিন্ন হয়। সাধারণভাবে হজ সফর মোটামুটি ৪০–৪৫ দিনের হয়ে থাকে। এর মধ্যে মক্কা ও মদিনার অবস্থানের ভাগগুলো প্যাকেজে বিস্তারিত উল্লেখ থাকে।
১৩. আরাফা ও মুজদালিফায় থাকার ব্যবস্থা কীভাবে হয়?
আরাফা ও মুজদালিফায় অবস্থান সম্পূর্ণ সৌদি সরকারের নির্ধারিত ব্যবস্থাপনার অধীনে সম্পন্ন হয়। আমাদের অভিজ্ঞ টিম পুরো প্রক্রিয়ায় হাজীদের সঠিক দিকনির্দেশনা দিয়ে থাকে।
১৪. আপনাদের হজ কাফেলায় আলেম হিসেবে কে থাকবেন?
আমাদের কাফেলায় শরীয়াহ কনসালটেন্ট হিসেবে আছেন প্রখ্যাত আলেম ড. মোহাম্মদ মানজুরে ইলাহী এবং ড. রফিকুল ইসলাম মাদানী। তাঁরা নিয়মিত ট্রেনিং করান এবং পর্যায়ক্রমে হজ সফরে গাইডের দায়িত্ব পালন করেন।
১৫. হজ বা উমরাহ গ্রুপে কি প্রশিক্ষিত গাইড থাকেন?
জি, আমাদের প্রতিটি গ্রুপে অভিজ্ঞ আলেম এবং প্রশিক্ষিত গাইড থাকেন, যারা ইবাদতের প্রতিটি ধাপে আপনাকে সহিহ নিয়ম শেখাতে সাহায্য করবেন।
প্রস্তুতি ও বিশেষ সেবা
১৬. হজের আগে কি কোনো ট্রেনিংয়ের ব্যবস্থা আছে?
জি, হজের প্রায় ৬-৭ মাস আগে থেকেই আমরা বিষয়ভিত্তিক ট্রেনিংয়ের আয়োজন করি। এতে হজের নিয়ম, দোয়া এবং করণীয় বিষয়গুলো বিস্তারিত শেখানো হয়।
১৭. যাত্রার আগে কি আলাদা কোনো ব্রিফিং দেওয়া হয়?
জি, উমরাহ বা হজ যাত্রার ঠিক আগে একটি চূড়ান্ত ব্রিফিং সেশন হয়। সেখানে ইহরাম বাঁধা, লাগেজ গোছানো এবং সফরের প্রয়োজনীয় সকল নির্দেশনা বুঝিয়ে দেওয়া হয়।
১৮. মহিলা বা বয়স্কদের জন্য আপনাদের বিশেষ সুবিধা কী?
বয়স্ক হাজীদের জন্য আমাদের গ্রুপ সাপোর্ট টিম সর্বোচ্চ সহযোগিতা করে। তবে বয়স্কদের ক্ষেত্রে একজন সক্ষম সঙ্গী থাকা ভালো। মহিলাদের জন্য শরীয়াহ মোতাবেক মাহরাম থাকা উত্তম।
১৯. আমি কি একা মহিলা হিসেবে আপনাদের সাথে যেতে পারব?
সাধারণভাবে মহিলাদের জন্য মাহরাম বা পরিবারের সদস্য থাকা আবশ্যক। আপনার পরিস্থিতি জানালে আমরা বর্তমান সৌদি নিয়ম অনুযায়ী আপনাকে সঠিক গাইডলাইন দিতে পারব।
২০. প্রবাসীরা বিদেশ থেকে হজের কাজ কীভাবে সম্পন্ন করবেন?
প্রবাসীরা অনলাইনে ডকুমেন্ট ও পেমেন্ট পাঠিয়ে প্রি-রেজিস্ট্রেশন করতে পারেন। আমাদের ট্রেনিংগুলো আপনি অনলাইনে লাইভ করতে পারবেন। তবে ফ্লাইটের আগে আপনাকে অবশ্যই বাংলাদেশে উপস্থিত থাকতে হবে।
অফিস ও অন্যান্য তথ্য
২১. আপনাদের অফিস কোথায়? সরাসরি আসা যাবে কি?
অবশ্যই! আমাদের অফিস ঠিকানা: ১৭–১৮, হোসেন হাউজিং সোসাইটি, মিরপুর রোড, শ্যামলী, ঢাকা–১২০৭। সরাসরি অফিসে এলে আমরা বিস্তারিত আলোচনা করতে পারি।
২২. আপনারা কতদিন ধরে হজ ও উমরাহ সেবা দিচ্ছেন?
আলহামদুলিল্লাহ্, ২০১৫ সাল থেকে আমরা অত্যন্ত বিশ্বস্ততার সাথে হজ এবং উমরাহ কার্যক্রম পরিচালনা করছি।
২৩. বায়োমেট্রিক ও নুসুখ (Nusuk) অ্যাপ নিয়ে কি সহায়তা করেন?
জি, বায়োমেট্রিক রেজিস্ট্রেশন এবং নুসুখ অ্যাপে অ্যাকাউন্ট খোলা বা রওজা শরীফের পারমিট পাওয়ার ক্ষেত্রে আমাদের টিম আপনাকে পূর্ণাঙ্গ কারিগরি সহায়তা দেবে।
২৪. পাসপোর্ট অনলাইন আবেদন কি আপনারা করে দেন?
আমরা আপনাকে অনলাইনে পাসপোর্টের আবেদন করার সঠিক নিয়ম ও গাইডলাইন দিয়ে সহযোগিতা করতে পারি যাতে আপনি দ্রুত আপনার পাসপোর্ট হাতে পান।